আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা বলেনঃ

-- “হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছো তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না, নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেবেন। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও করুণাময়।[আয-যুমারঃ৫৩]
-- “তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব।” [গাফির - ৬০]
-- “নিশ্চয় আল্লাহ মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে না।[সূরা গাফির:৬১]
-- “বস্তুতঃ আমি রয়েছি সন্নিকটে। যারা প্রার্থনা করে, তাদের প্রার্থনা কবুল করে নেই, যখন আমার কাছে প্রার্থনা করে।[আল বাকারা:১৮৬]
-- “নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপবিত্রতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন।[আল বাকারা:২২২]
-- “যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর, তবে তোমাদেরকে আরও দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর।[আল ইবরাহিম:৭]

সদালাপ ২

আমি নিজেকে আল্লাহর দাস বলে মনে করি। আমার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ আল্লাহ কুরআনে যেভাবে বলেছেন সেভাবে মানতে হবে বলে বিশ্বাস করি। আমি বিশ্বাস করি এই পৃথিবীটা অল্প কিছুদিনের একটি নিবাস -- তারপর ফিরে যেতে হবে প্রবল প্রতাপশালী এবং আমাদের রব আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার কাছেই। এই জীবনের প্রতিটি ঘটনাই হতে হবে আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশমতে। সেটি ঘুমানো, খাওয়া, লেনদেন থেকে শুরু করে কথাবার্তার শব্দচয়ন পর্যন্ত। আমি কখনই সহ্য করবনা, একজন মু'মিন হিসেবে আমাকে কী করতে হবে, তা শিখিয়ে দেবে একজন অবিশ্বাসী, ইন্দ্রিয়ভোগী ক্ষুদ্র জঘন্য আত্মার কোন মানুষ। আমি আল্লাহকে ভয় করি, আমি বিনম্র ও শান্তিকামী, কিন্তু আল্লাহর নাফরমানীর ব্যাপারে কঠোর। এটাই আমার পরিচয় বলে মনে করি। 

মুশরিক জালিমরা মুজাহিদদের লাশের উপর নোংরামি করে, যালিমরা ঈমানদার মুমিনদের উপরে শারীরিক, রাস্ত্রীয় অত্যাচার করে লাঞ্ছিত করতে চায়, তারা মুমিনদের অত্যাচার করে শহীদ করে ফেলেছে, হয়ত ফেলবে। কিন্তু এই যালিমরা, এই নোংরা জঘন্য আত্মার লোকগুলো জানেনা আমাদের অশ্রু বেয়ে দোয়া ঝরে সেই সুন্দর মানুষগুলোর জন্য। আমি জানি, আমার আমৃত্যু দোয়া থাকবে সেই মুমিন মানুষদের জন্য, যাদের সুন্দর হাসি আর আন্তরিক হাতের স্পর্শ আমি ধারণ করি। এই আল্লাহ তায়ালার জমীনে, এই আল্লাহর সৃষ্টিজগতে আমার এই বুকের ভিতরের অনবরত অশ্রু দিয়ে আমি শুধু আমার ভালোবাসা আর মানুষের আত্মার শ্বাশ্বত সৌন্দর্যকে স্মরণ করছি। 

আল্লাহ অবশ্যই জালিমদের ধ্বংস করে দিবেন। আল্লাহ সবাইকেই একটা নির্দিষ্ট সীমানা পর্যন্ত ছাড় দেন। নিশ্চয়ই আমার রবের পাকড়াও বড়ই শক্ত। তারপর একদিন আল্লাহর কাছে ফিরে যাবার পর হিসেব দিতে হবে সবাইকে। সেদিন কারা সৎকর্মশীল তা আল্লাহই প্রকাশ করে দিবেন। আল্লাহ সমস্ত মজলুমদের রক্ষা করুন, তাদের জান্নাতবাসী করুন। আল্লাহ আমাদের মুসলমানদের ঈমানকে বৃদ্ধি করে দিন, আল্লাহ আমাদের ধৈর্যধারণ করার শক্তি দিন। আল্লাহ এই জমীনের বুকে কাফিরদের বিরুদ্ধে আমাদের অর্থাৎ আল্লাহর দ্বীনের পতাকাধারীদের বিজয়ী করে দিন। আল্লাহ আমাদের রহম করুন। আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন

1 টি মন্তব্য:

  1. আমিও তোমার কথায় একমত । আমরা আল্লাহ দেওয়া নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই পৃথিবীতে এসেছি তার গোলামী করতে এবং তার দেওয়া বিধি নিষেধ মেনে চলার জন্য । তাই এগুলো আমাদের যতাতথা ভাবে পালন করতে হবে। আর ঐ সকল লোকগুলো ধ্বংস হক যারা আলেমদেরকে নানা ভাবে অত্যাচার করছে।

    উত্তরমুছুন

আপনার মূল্যবান মতামত জানিয়ে যান লেখককে