আমার বন্ধুর চাচী মারা গেছেন রোড অ্যাক্সিডেন্টে। ছোট্ট একটা সন্তান আছে
তার। শিক্ষিকা ছিলেন, ক্লাস নিতে যাচ্ছিলেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার
নির্দেশ চলেই এসেছিলো, তাই তার রূহ এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলো। শোকাহত
বন্ধুকে বলার কিছু পাচ্ছিলাম না, নীরবতাটুকুতে শুধু দু'আ করা। আল্লাহ যেন
তার বান্দাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করেন। তিনি যেন আল্লাহর রাহমাতপূর্ণ
অভ্যর্থনাতে গৃহীত হন কবরে।
অদ্ভুত লাগে! নিশ্চিত যাত্রা আমাদের কবরে। এই রূহ আমার পৃথিবীর কিছু না। এই শরীরে রূহ না থাকলে তা একটা লাশমাত্র। সেই শরীরে রং মেখে, কাপড় চড়িয়ে, প্রসাধন লাগিয়ে আমাদের অন্ধজীবনের অজস্র সময় কাটে। এই আত্মার যত্ন তো নেয়া হয় না তেমন। মহান আল্লাহর স্মরণে চোখের পানিতে ধুয়ে এই আত্মার যত্ন হতে পারত, খারাপ শব্দ থেকে কান সরিয়ে রেখে, নোংরা-অশ্লীলতা থেকে চোখকে সাবধানে রেখে এই যত্ন হতে পারত, মুখকে অনর্থক কথাবার্তা থেকে, আঙ্গুলকে অর্থহীন শব্দলিখন থেকে মুক্ত রেখেও এই অন্তরকে যত্নে রাখা যায়। নফস শয়তানের কাছে এমনভাবেই পরাজিত থাকে যে মুক্তির জন্য দু'রাকা'আত সলাত আদায়ও করতে পারিনা!
অদ্ভুত লাগে! নিশ্চিত যাত্রা আমাদের কবরে। এই রূহ আমার পৃথিবীর কিছু না। এই শরীরে রূহ না থাকলে তা একটা লাশমাত্র। সেই শরীরে রং মেখে, কাপড় চড়িয়ে, প্রসাধন লাগিয়ে আমাদের অন্ধজীবনের অজস্র সময় কাটে। এই আত্মার যত্ন তো নেয়া হয় না তেমন। মহান আল্লাহর স্মরণে চোখের পানিতে ধুয়ে এই আত্মার যত্ন হতে পারত, খারাপ শব্দ থেকে কান সরিয়ে রেখে, নোংরা-অশ্লীলতা থেকে চোখকে সাবধানে রেখে এই যত্ন হতে পারত, মুখকে অনর্থক কথাবার্তা থেকে, আঙ্গুলকে অর্থহীন শব্দলিখন থেকে মুক্ত রেখেও এই অন্তরকে যত্নে রাখা যায়। নফস শয়তানের কাছে এমনভাবেই পরাজিত থাকে যে মুক্তির জন্য দু'রাকা'আত সলাত আদায়ও করতে পারিনা!