৩১ আগ, ২০১২

অভিমানী মন

যদি কখনো আপনার ক্লাসমেট, চেনাজানা বা বন্ধুমহলে এমন কেউ থাকে, যে অল্প কথায় মন খারাপ করে ফেলে, অভিমান করে -- সে যদি ক্ষতিকর না হয়ে থাকে, তাহলে সম্ভব হলে তার প্রতি বিরক্ত হবেন না।

হয়ত সে কোনদিন ভালো ব্যবহার পায়নি তার গড়ে ওঠার সময়টাতে, হয়ত সে সুন্দর ব্যবহার কি তা-ই জানেনা, হয়ত সে ভালোবাসা পেতে শিখেনি আপনজনদের কাছ থেকে। হয়ত সে আজীবন কেবল তার সমালোচনা শুনেই বড় হয়েছে।

 হয়ত তার প্রতি আপনার ভালো ব্যবহারটুকু তার জীবন বদলে দিতে পারে। কে জানে, হয়ত আপনার এই ভালো ব্যবহারটুকু আপনার অনন্তকালের জীবনটাও বদলে দিতে পারে...

২৮ আগ, ২০১২

বিয়ে করতে কি কোন প্রস্তুতির দরকার হয়?

আমাদের সমাজে ছেলেমেয়েরা কেন বিয়ে করে? 
অনেক তরুণ-তরুণীরা হয়ত বিয়ে করতে চায় কারণ তাদের বন্ধুবান্ধবরা বিয়ে করে ফেলছে, কারও আবার বাবা-মা চাপ সৃষ্টি করছে বিয়ে করার জন্য, কেউ ঘরের পারিবারিক জীবনের সমস্যা থেকে মুক্তির জন্যও বিয়ে করতে চায়। কেউ কেউ অন্যের শারীরিক সৌন্দর্য দেখে বা অর্থ-সম্পদের কারণে বিয়ে করতে আগ্রহী হয়। কেউ কেউ খুঁজে একজন সঙ্গী, কেউ পারিবারিকভাবে শক্ত একটা অবলম্বন পেতেও বিয়ে করতে চায় যেটা একটা বিয়ের মাধ্যমে সম্ভব। আবার মুসলিম হিসেবে রাসূলের সুন্নাহ পালনের মাধ্যমে ইবাদাত হিসেবেও বিয়ে করতে চান।

আরেকটা মানুষের সাথে আজীবন থাকার অভিপ্রায়ে যখন যাত্রা শুরু হয় দু'জন ছেলে এবং মেয়ের, তখন তাদের অনেক রকমের প্রস্তুতির দরকার পড়ে। দু'টো পরিবারকে তারা জুড়িয়ে দেয়, এখানে আরেকটা পরিবারের সাথে *নিজেদেরকে* মানিয়ে নেয়ার ব্যাপার থাকে। অনেক ধরণের চারিত্রিক গুণ প্রয়োজন, যেগুলো ছাড়া দিব্যি সমস্যাবিহীন *সিঙ্গেল* লাইফ কাটানো গেলেও বিবাহিত তা অবধারিত প্রয়োজন। তাই এগুলোর অবর্তমানে যদি সম্পর্কে চাপ বা টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়, অন্য কাউকে দায় দেয়ার নেই, ভোগান্তি তো হবেই।

বর্তমান সময়ে টেলিভিশন মিডিয়া, কমার্শিয়ালের মাঝে ডুবে থেকে অনেক ছেলেমেয়েরাই বিয়েকে মডার্ন ডেটিং টাইপের কিছু ভেবে বসেন। কেবল অবিমিশ্র সুখ, উদ্দাম আনন্দ। অথচ, বিয়ের পর দেখা যায় টুথব্রাশ এখানে কেন, টাওয়েল ওখানে কেন টাইপের ছোট ছোট জিনিসেও অমিল পাওয়া যায় একজন আরেকজনের। বিয়ের প্রথম দিকে ভালোবাসা উপচে পড়ার কারণে এইসব অগ্রাহ্য করলেও কিছুদিন পর আরেকজনের এইসব ছোটখাটো অমিলগুলোও অসহ্যবোধ হতে থাকে। 

১৭ আগ, ২০১২

বিয়ের অপর নাম প্রশান্তি, উচ্ছ্বাস আর দয়া

কিশোর বয়স থেকে বিয়ের ব্যাপারে আমার একটা প্রশ্ন ছিলো মনে, সেই  প্রশ্নটা যাদের করেছিলাম, তাদের উত্তর কিছু খুবই নিম্নমানের। তাই আদতে আমার কৌতুহল নিবৃত্ত হয়নি। প্রশ্নটি ছিলো, দু'জন মোটামুটি অপরিচিত মানুষ কীভাবে সারাটা জীবন একসাথে কাটিয়ে দিতে পারে? মোটামুটি অপরিচিত বললাম এই কারণে যে, বিয়ের আগে থেকে আসলে তেমন একটা জানাজানি একদমই সম্ভব না। একসাথে থাকতে গেলে তখন টের পাওয়া যায় যে অনেকে অনেক ছোট-ছোট বিষয়েই বিরক্ত হয়। আর তার উপরে যখন একটা বয়স পরে অনেকের শরীরে রোগবালাই  ভর করে, তখন তো অপরজন অপার ভালোবাসায় আর যত্নে তার দেখাশোনা করেন -- এমনটাই বা কী করে সম্ভব?

অবশেষে আমি আমার প্রশ্নের উত্তর পেলাম। তাও পেয়েছি পবিত্র কুরআনুল কারীমের আয়াত থেকে। নুমান আলী খানের আলোচনা থেকে শেখা সেই আয়াতটির ব্যাখ্যা এখানে উল্লেখ করছি --


আল্লাহ বলছেনঃ

"আর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সংগিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে"।  [সূরা আর-রুমঃ ২১]

      
এই আয়াতটিতে আল্লাহ্‌ স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের অতুলনীয়, সংক্ষিপ্ত এবং সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়ে এই সম্পর্ককে তাঁর (সুবহানাহু ওয়া তা'আলা) একটি নিদর্শন (আয়াত) বলে উল্লেখ করেছেন। আসুন এই পবিত্র সম্পর্ক সম্বন্ধে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা কি বলেছেন সেটা জানি। সম্পর্কটির বিভিন্ন পর্যায় তিনি তিনটি শব্দের দ্বারা ব্যাখ্যা করেছেন।

৮ আগ, ২০১২

আলোর স্পর্শ


ইদানিং কিছু যখন পড়তে গিয়ে মনে হয় বিশাল আবিষ্কার করে ফেলেছি, তখন ডানে বামে তাকিয়ে দেখি আমার চেয়ে কমবয়েসি অনেক মানুষ সেসব অনেক বছর আগেই পড়ে শেষ করে ফেলেছে।নিজেকে তখন হঠাত বাচ্চা বলে মনে হতে থাকে.... সেদিন একটা বই পড়তে গিয়ে একটা মজার জিনিস জানলাম, সেটা অভ্যাসবশত শেয়ার করার জন্য  লাফ দিয়ে ফোন হাতে নিয়েই থেমে গেলাম। ছোট ভাইটা নিশ্চয়ই এসব পড়ে রেখেছে অনেক বছর আগেই। সবাই তো আর আমার মতন মূর্খ ছিলনা!

আজকাল কুরআনের তাফসীর পড়তে গিয়ে দেখি আব্বু অজস্রবার পড়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে আন্ডারলাইন করে, হাইলাইটার দিয়ে হাইলাইট করে রেখেছেন। অথচ আমি হতভাগা একবারও পড়ি নাই।

ইদানিং দ্বীনের জ্ঞানের আলোয় আলোকিত সব মানুষগুলোকেই ব্যাপক হিংসা হয়... ছোটবড় কোন ছাড়াছাড়ি নাই...

১ আগ, ২০১২

তারিক রামাদান প্রবচনগুচ্ছ - ২

আগের পর্বঃ তারিক রামাদান প্রবচনগুচ্ছ - ১

ইসলামের বার্তার ব্যাপ্তি সামগ্রিক জীবন নিয়ে, যেখানে প্রতিটি বিশ্বাসের পাতায় পাতায় আছে যুক্তি, আছে কল্যাণ। প্রতিটি নিয়মের সাথে জুড়ে আছে আমাদের জীবনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র। আর এই চিত্রকে অনুপ্রেরণার মাধ্যমে যিনি ছড়িয়ে দিতে পারেন বলে আমি বুঝেছি -- তিনি তারিক রামাদান। পশ্চিমের তরুণদের অনুপ্রেরণা এই ভিন্নমাত্রার ইসলামিক স্কলারের লেখা পড়তে গিয়ে এবং আলোচনা শুনতে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়া কিছু প্রবচন আমি সংগ্রহ করার চেষ্টা করেছি। এই প্রচেষ্টার দ্বিতীয় পর্ব আজ প্রকাশ করছি।

৩০ জুল, ২০১২

অপেক্ষা [অণুগল্প]


বিশাল একটা স্টেশন, এখানে অজস্র মানুষের যাতায়াত প্রতিদিন। ট্রেনের হুইসেল বাজছে, মালপত্র মাথায় নিতে জনে-জনে গিয়ে চিত্কার করে অনুরোধ করছে কুলিরা, প্রিয়জনদের পেয়ে কেউ চিত্কার করে ডাকছে, কারো চোখে অশ্রু - কাছের মানুষদের মিলনে অথবা বিরহে।

মাহফুজ চুপচাপ বসে আছে ওয়েইটিং রুমের কোনার একটা চেয়ারে। এইখানে এত শত-শত মানুষ -- তাদের কেউ-ই তার আপন নয়, কাউকে চেনেনা। এখন গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেলেও এক গ্লাস পানি কেউ দিবেনা -- একথা ভাবতেই কেমন অস্থির হয়ে উঠলো তার মনটা। তার প্রিয়জনদের কথা ভাবতেই এমন লাগছে। অনেকদিন ধরে আজকের দিনটার জন্য অপেক্ষায় ছিল মাহফুজ। রুমের পড়ার টেবিলের উপরে রাখা ডেস্ক ক্যালেন্ডারটাতে দিন কেটে দিতে সে একটা লাল সাইনপেন কিনেছিল, লাল রঙ দিয়ে দাগ দিলে তাতে রাগ বেশি ঝাড়া যায়। কয়েক সপ্তাহ ধরে সে যত্ন করে কেটেছে একেকটা দিন। আজ সকালে ইস্ত্রি করা শার্টটা বের করে পরেছে, অডিকোলন গায়ে দিয়েছে, দিনের পরিশ্রমে যেন তার ছিমছাম পরিপাটি ভাবখানা ছুটে না যায় সেজন্য তার চেষ্টার কমতি নেই। অফিস থেকে বসকে বলে আগেই বেরিয়ে এসেছে, অনেকদিনের এই অপেক্ষার কথা অফিসের কলিগরা আগেই জানত, তারা সবাই মুচকি হেসে বিদায় দিলো দুপুরে লাঞ্চের পরেই।

২১ জুল, ২০১২

তারিক রামাদান প্রবচনগুচ্ছ

তারিক রামাদান আমার একজন মুগ্ধতার মানুষ। তার আলোচনাগুলো আমি মুগ্ধ হয়ে শুনি। ইসলামের জ্ঞান যখন দর্শনের সাথে মিশে যায়, তখন বুঝি আমার মতন তরুণ প্রজন্মের কাছে এমনই সুন্দর কারুকার্যময় মোহনীয় হয়ে ফিরে শব্দমালারা।

প্রফেসর রামাদানের সাথে পরিচয় আমার খুব বেশিদিনের নয়, দু'বছর হয়নি এখনো। আমি তার লেখা পড়ে যা অনুভব করি, তা খুবই অসাধারণ। ইসলামের বার্তার ব্যাপ্তি সামগ্রিক জীবন নিয়ে, যেখানে প্রতিটি বিশ্বাসের পাতায় পাতায় আছে যুক্তি, আছে কল্যাণ। প্রতিটি নিয়মের সাথে জুড়ে আছে আমাদের জীবনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র। আর এই চিত্রকে অনুপ্রেরণার মাধ্যমে যিনি ছড়িয়ে দিতে পারেন বলে আমি বুঝেছি -- তিনি তারিক রামাদান। পশ্চিমের তরুণদের অনুপ্রেরণা এই ভিন্নমাত্রার ইসলামিক স্কলারের কিছু উদ্ধৃতি তথা প্রবচন উল্লেখ করছি  এই লেখায়। 

১৭ জুন, ২০১২

ইবনে তাইমিয়্যা প্রবচনগুচ্ছ


"কারো উপরে বেশি নির্ভরশীল হয়ে যেয়ো না। মনে রেখো,
অন্ধকারে তোমার নিজের ছায়াও তোমাকে ছেড়ে চলে যায়।"

-- ইমাম ইবনে তাইমিয়্যা

“আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরা আর নিজেদের মাঝে বিভক্ত না হয়ে যাওয়া ইসলামের সবচেয়ে বড় উসূল (বুনিয়াদ) এর একটি ।”
– ইমাম ইবনে তাইমিয়্যা


  "ঈমানদারদের জীবন ক্রমাগত বিভিন্ন কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি করানো হয় তাদের ঈমানকে বিশুদ্ধ এবং তাদের পাপকে মোচন করানোর জন্য। কারণ, ঈমানদারগণ তাদের জীবনের প্রতিটি কাজ করেন কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য; আর তাই জীবনে সহ্য করা এই দুঃখ-কষ্টগুলোর জন্য তাদের পুরষ্কার দেয়া আল্লাহর জন্য অপরিহার্য হয়ে যায়।"
-- ইমাম ইবনে তাইমিয়্যা



১৩ জুন, ২০১২

আটলান্টিক পারের আলোকবর্তিকাঃ সুহাইব ওয়েব

ইমাম সুহাইব ওয়েব, আমার প্রিয় একজন মানুষ। তাকে সামনাসামনি কোনদিন দেখিনি, তবে তার কাছে শিখেছি অনেক কিছু, পেয়েছি অনেক অনুপ্রেরণা। তিনি জন্মেছিলেন খ্রিষ্টান ধর্মযাজক পরিবারে, এখন তিনি একজন আমেরিকান মুসলিম চিন্তাবিদ, প্রশিক্ষক এবং ইমাম। বড় একজন ইমাম হয়েও তরুণ প্রজন্মকে তিনি কাছে টেনে আনতে পেরেছেন নিজস্ব দক্ষতায়, ক্যারিশমাটিক আচরণে আর ভালোবাসায়। মার্কিন তরুণ-তরুণীরা যাদের আলোচনায়, ব্যাখ্যায়, উপস্থাপনায় ইসলামের মোহনীয়তা খুঁজে পেয়েছে, ডুবেছে মুগ্ধতায় -- সেই বিদগ্ধ জ্ঞানের মানুষদের মাঝে ইমাম সুহাইব ওয়েব একজন।

সমগ্র বিশ্বেই ছড়িয়ে আছে তার অজস্র শিক্ষানবীসের দল। ইমাম সুহাইব সোশাল নেটওয়ার্ক ফেসবুক এবং টুইটারে বেশ নিয়মিত থাকেন, তিনি তার সাথে আলোচনায় সবাইকে সুযোগ দেন। তাকে তাই অনেকে বলে থাকেন -- "তরুণদের ইমাম"। সাম্প্রতিক সময়ে নুমান আলী খান এবং আব্দুল নাসির জান্দার সাথে "Amazed By The Quran" নামের একটা আয়োজনে অংশগ্রহণ করছেন, বক্তব্য দিচ্ছেন কুরআনের গভীর সৌন্দর্য্য নিয়ে। এমন আয়োজন সমগ্র আমেরিকাতেই সাড়া ফেলে দিয়েছে। থেকে অনেক দূরে থাকলেও কুরআন নিয়ে নুমান আলী খান, আব্দুল নাসির, সুহাইব ওয়েবদের অসাধারণ সেইসব আলোচনা দেখে উপকৃত হই আমরাও।

৫ জুন, ২০১২

হামিংবার্ড ও আমরা

 এই সময়ের প্রতিটা দিনই বেঁচে থাকা যেন আতঙ্কময়। পত্রিকার পাতা খুললেই খুন, ধর্ষণ, গুম, হত্যা নতুন করে বলে দেয়না সমাজের পরিস্থিতি। তার উপরে প্রতিটি পদেই রয়েছে ঘুষ-সুদ, ক্ষমতাধরদের মদদপুষ্ট লোকদের নির্লজ্জ ক্ষমতা প্রদর্শন ও দুর্নীতি। পথে-ঘাটে, বাসে-ট্রেনে মানুষ দেশের চলমান পরিস্থিতির উপর হতাশা প্রকাশ করেন অবলীলায়। বেশিরভাগ মানুষ মোটেই আশাবাদী না। তারা বুঝেন যে দেশের সবাই-ই প্রায় চোর। কেউ সুযোগ পেলে দুইটা টাকা মেরে দিতে ছাড়েন না। তাই এই দুর্নীতি রন্ধ্রে রন্ধ্রে যেন ঢুকে গেছে। আইন আছে, প্রয়োগ নেই, পুলিশ আছে, তার উপরে জনগনের আস্থা নেই। ঘুরে ফিরে এই হতাশা আর নিরাশার দুষ্টচক্র থেকে বের হবার পথ কোথায় আমাদের? ছেলে-মেয়ে, প্রেমিক-প্রেমিকা সম্পর্কগুলো একেকটা নতুন নতুন পত্রিকার শিরোনামের জন্ম দিচ্ছে। পরকীয়া প্রেমের ফলে মারা যাচ্ছে মায়েরই সন্তান। এমন অজস্র নিরাশার গল্প চারপাশে।

১ জুন, ২০১২

প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তর


আমাদের চারপাশের মানুষগুলো থেকে আমরা কিছু মানুষ মনে হয় বুকের ভিতরে একটু ভিন্ন কিছু নিয়ে বেঁচে থাকি। এই বেঁচে থাকাতে জীবন-জীবিকার প্রতিদিনের যুদ্ধ করে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া যায় না, একটা অন্যরকম প্রেরণা নিয়ে বেঁচে থাকা হয়। সেই প্রেরণা আত্মায় শান্তিকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার। যখন আমাদেরই বন্ধু-আত্মীয়-কলিগ দারুণ কিছু ভোগ্যপণ্য গাড়ি-বাড়ি-শপিং করে আনন্দে গান ভাঁজতে ভাঁজতে বাড়ি ফেরে, চ্যানেলে দুইটা খুনের ঘটনা দেখে জগতকে গালি দিয়ে শাপ-শাপান্ত করে ঘুমাতে যায় -- তখন আমার ভাইবোনদের আত্মায় থাকে মহান আল্লাহর নাম। সমাজের সর্বস্তরে সবাই যখন যেকোন উপায়ে টাকা কামানো মূল লক্ষ্য হিসেবে ছুটতে থাকে -- তখনো আমরা প্রচন্ড চুজি হয়ে ভাবতে থাকি এই কলুষ বলয় থেকে কীভাবে বের হবো। কীভাবে এখানে স্থাপন করবো সবার জন্য কল্যাণময় একটা সিস্টেম।

কোথা থেকে আসে এই প্রেরণা? 

৫ মে, ২০১২

টুকরো টুকরো ভালোলাগা - ৩



গতকালের ভোরটা আমার জন্য ছিলো স্নিগ্ধ সময়। একদিকে সাপ্তাহিক ছুটির দিন -- জুমুআর দিন, সেই সাথে বৃষ্টি ছিলো ঝির ঝির। স্নিগ্ধ সকাল বলতে অমনটাকে বোঝাবেই। প্রিয় বইটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ বসে ছিলাম, শারীরিক অসুস্থতাটা তার আগের দিন কাটিয়ে উঠেছি, মানসিক প্রশান্তি এসেছিলো সুন্দর সকালের আবহাওয়ায়। আত্মিক প্রশান্তিটাও এসেছিলো বইটা হাতে নিয়ে -- পড়ছিলাম আমার প্রিয়তম জনের কথাগুলো, আমার প্রতি তাঁর ভালোবাসা, নির্দেশাবলী, উপদেশাবলী একসাথে করে দিয়েছেন তিনি যেখানে!

২৪ এপ্রি, ২০১২

কেন চলে গেলে দূরে



ভালোবাসার জন্য আমার অনেক কাঙ্গালপনা। কেউ আমার খোঁজ নেবে, আমার সাথে বসে গল্প করবে, আমাকে একটু ভালো করে বুঝবে -- এমন আশা আমার সেই ছোটবেলা থেকেই। স্কুলে পড়ার সময় সুমনের সাথে দু'বছর একই বেঞ্চে বসতাম। একদিন কিছু না বলেই ওরা ঢাকা ছেড়ে চলে গেলে কষ্টে কেঁদে ফেলেছিলাম। এরপর অনেকবারই কাঁদতে হয়েছে। অনেক রকম ঘটনায়। আমি ছেলেমানুষ, তাই লোকচক্ষু এড়িয়ে আড়ালে আবডালে চোখের পানি মুছতাম। কেউ দেখে ফেললে হাসাহাসি করবে -- সেই আতঙ্ক থাকতো!

আরো কতবার এই হৃদয় যে ভাঙ্গলো, তার ইয়ত্তা নাই। একটা সময় অনেক মনে হতো -- আমি খুব অভাগা, তাই আমার দিকে কেউ ফিরে চায়না। আমি অভাগা বলেই হয়ত যাকে ভালোবাসি, সে আমাকে গুণেও দেখেনা। অজস্র সময় গেছে জীবনে, যখন অন্য কেউ আমার সাথে কথা বললে, আমার খোঁজ নিলে আমার ভালো লাগবে -- এই ভেবে ভগ্নহৃদয়ে কেটেছে সময়। অনেক ভাবতাম, কেন আমার জীবন এমন হবে! আমি তো বিশ্বাস করিনা এত দুঃখী আমি হতে পারি। কেনই বা হবো -- আমার জীবনের সমস্তটুকু দিয়েই তো আমি আমার সব কাজে প্রচেষ্টা চালাই!

আধ্যাত্মিক শূণ্যতা

শিরোনামটা এমন দিলাম কারণ আমি একটা ভিডিও দেখলাম, কিছু শিখলাম যার শিরোনামটাও এরকমই ছিলো। এই শিক্ষাটা আমার জন্য সময়োপযোগী আর গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। তাই সবার সাথে শেয়ার করে দেয়ার উদ্দেশ্যে লিখতে বসেছি। ভিডিওটি ছিলো উস্তাদ নুমান আলী খানের -- "spiritual void" 


আমাদের সমাজে অনেক মানুষ আছেন যারা আল্লাহর রাস্তায় নিজেদেরকে বিলিয়ে দেন। অর্থাৎ তারা আল্লাহর দ্বীন প্রচারে নিয়োজিত থাকেন, অন্যদেরকে আল্লাহর পথে ডাকেন, জ্ঞানের কাজ করেন, সামাজিক দায়বদ্ধতার কাজ করেন। মোটকথা, সত্যিকার অর্থেই (লোক দেখানোর জন্য না) তারা নিজেদেরকে দাওয়াতের কাজে নিয়োজিত রাখেন। কিন্তু এই কাজে ব্যস্ত থাকতে থাকতে অনেক সময় নিজেদের দিকে খেয়ালটা রাখা হয়না।

১৫ এপ্রি, ২০১২

নতুন বছরের প্রত্যয়

আজ নতুন বছরের প্রথম দিন। ১৪১৯ বঙ্গাব্দের পহেলা বৈশাখ। বহুদিনের পুরোনো বাংলার সংস্কৃতির সবচাইতে উল্লেখযোগ্য জিনিসটি ছিলো -- হালখাতা। হালখাতার আইডিয়াটা আমার কাছে দারুণ লাগতো। পুরোনো সবকিছুর হিসাব নিকাশ করে নতুন একটা খাতা খোলা। সেই সুযোগে একটা পুনর্মিলনী হওয়া, একটা নতুন উৎসবের আমেজ পাওয়া।

এই সুযোগে আমিও নিজের চিন্তা আর কাজের হালখাতা খুললাম। সেটাতে যা যুক্ত হলো, তা হলো -- নতুন কিছু পরিকল্পনা। আপাতত যা ঠিক করলাম তা হলোঃ

  •  আজ থেকে সময় নষ্ট করবো না
  •  খারাপ কথা বলবো না, গালাগালি করবো না
  •  যেসব জায়গায় সময় নষ্ট হয়, তা এড়িয়ে চলবো
  •  মিথ্যা কথা বলবো না। এমন কাজ যদি থাকে যেখানে মিথ্যা বলার চান্স আছে -- সে কাজগুলো এড়িয়ে যাবো
  •  প্রতিদিন ৫টি করে ইংরেজি শব্দ শিখবো। বছর শেষে হবে বিশাল শব্দভান্ডার (vocabulary) হবে। প্রতিদিন অন্ততঃ একটা ইংরেজি আর্টিকেল পড়বো।
  •  ইংরেজি শিখবো কারণ পৃথিবীর চমৎকার সব সাহিত্য আর জ্ঞানের ভান্ডারগুলো যে ভাষারই হোক না কেন, তা প্রথমেই অনুবাদ হয় ইংরেজিতে। এই বিশাল জ্ঞানভান্ডারের রত্নগুলো আমার ঘরে আনতে চাই। তাছাড়া নিজের দেশের সুন্দর জিনিসগুলো পৃথিবীময় ছড়িয়ে দিতেও এই ভাষায় দক্ষতা দরকার হবে।
  •  প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত সালাত সঠিকভাবে আদায় করবোই ইনশাআল্লাহ। নামায হলো বেহেশতের চাবি।
  •  প্রতিদিন কুরআনের অন্তত ১/২ আয়াত অর্থসহ (সম্ভব হলে তাফসির) সহ পড়বো, মাত্র ১০-১৫ মিনিট লাগবে। কারণ, কুরআন আখিরাতে আমাদের জন্য শাফায়াত করবে। আর পৃথিবীর সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান আমাদের প্রতি আল্লাহর পাঠানো এই বইটিতেই আছে। আমি জীবনটাকে সুন্দর আর অর্থপূর্ণ করতে চাই।
  •  প্রতিদিন অন্তত ১ জন মানুষকে অনাকাংখিত উপকার করে চমকে দিবো। দিনে একজনকে খুশি করতে পারলে বছর শেষে ৩৬৫ জন মানুষকে খুশি করতে পারবো খুউউব সহজেই!! কাজগুলো যেমন হতে পারেঃ
  •  রিকসাওয়ালার সাথে মোটামুটি দামাদামি করে উঠে নামার সময় কয়টা টাকা বেশি দিয়ে দেয়া যেতে পারে।
  •  আমার কলিগের যখন পানি খেতে ইচ্ছা হচ্ছে টাইপ কিছু বললেন, তখন তার জন্য পানি নিয়ে এসে সেটা তার হাতে তুলে দেয়া।
  •   রাস্তার মাঝে ইট থাকলে সেটাকে তুলে দূরে কোথাও সরিয়ে রেখে দেয়া।
  • আব্বা-আম্মা, ভাই-বোন বা রুমমেটের জন্য তাদের পছন্দের কোন একটা খাবার কিনে নিয়ে যাওয়া। সেটা চকোলেট টাইপের কিছু হলেও হতে পারে।
  •  কাউকে ভারী কোন ওজন বহন করতে দেখলে সেটিকে কিছু পথ এগিয়ে সাহায্য করা।

আল্লাহ আমাদের চিন্তা আর নিয়্যাতে বারাকাহ দিন এবং চেষ্টাগুলোকে কবুল করে নিন। নিজেকে গড়ার কাজে অংশ নিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার মতন একটা সমাজ আর রাস্ট্র গড়ে তোলার তাওফিক দিন। সবাইকে নতুন বছরের প্রথম দিনে শুভেচ্ছা জানাই। আল্লাহ আমাদের কবুল করুন। আমিন।

২ এপ্রি, ২০১২

কেমন আছ তুমি


"কেমন আছ" -- আমি বোধহয় জীবনে এই প্রশ্নটা সবচেয়ে বেশি শুনেছি। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব, চাকুরিক্ষেত্রের সহকর্মীরা -- সবাইই প্রতিদিন অজস্রবার এই প্রশ্ন করে। প্রতিটি মানুষেরই কুশল বিনিময়ের প্রথম প্রশ্ন "কেমন আছেন"? ইদানিং পরিচিতজনরা বেশিরভাগই একটা উত্তর দেয় -- "এইতো"। কী অদ্ভূত !! এইতো মানে আবার কী? ভালো নাকি খারাপ?

খারাপ বলতেও 'এইতো বলা' লোকদের বাঁধে -- কেননা তারা সবাইই আসলে অনেক ভালো আছেন। জীবনে প্রাপ্তি তাদের প্রচুর। "খারাপ আছি" -- বললেই তাকে জিজ্ঞেস করা হবে -- কী হয়েছে? যার উত্তর দিতে পারবেন না। আবার "ভালো আছি" সেটা স্বীকার করলে সম্ভবত নিজের উচ্চাকাংখা প্রকাশ করা হবেনা, তাই সবাইই বলেন -- "এইতো"। ভালো আছি বললে তার আরো অনেক কিছু পেতে হবে, সেইটা আবার প্রশ্নদাতা হয়ত খেয়াল করবেন না, তাকে আরো বেশি মূল্যায়ণ করবেন না, তাই হয়ত বলে -- "এইতো"। "ভালো আছি" বলার মানুষ কেন যে এত কম সেটা ভেবেই পাইনা!

২৫ মার্চ, ২০১২

রাগকে সংযত করা



জীবনে আমি নিজের যেই আচরণের কারণে অনেক বেশি করে আফসোস করেছি, তার মধ্যে রাগ জিনিসটা একদম উপরের দিক অবস্থান করে। জীবনের বিশাল একটা সময় রাগ হলে অসহায় হয়ে যেতাম, আমি চাইনা এমন কাজগুলো ধুম করে করে বসতাম, আর ফলাফলগুলোকে সামলাতে সামলাতে ভালো সময় পার হয়ে যেতো। রাগ করে এমন আচরণ হয়ে যায় যে -- প্রিয়জন/বন্ধুদের সাথে সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। অনেকে সহজেই আরো যা করেন তা হলো গ্লাস ভাঙ্গা, খাতা ছিঁড়ে ফেলা, কলম জানালা দিয়ে ফেলে দেয়া। 

২৪ মার্চ, ২০১২

আমাদের সমস্যা আধ্যাত্মিকতায়


"আমাদের সমস্যা হলো আধ্যাত্মিকতায়। যদি একজন মানুষ আমার সাথে মুসলিম বিশ্বে কী কী পুনর্গঠন করা প্রয়োজন সেই বিষয়ে কথা বলতে আসেন, অথবা রাজনৈতিক কৌশল সম্পর্কে এবং অনেক বড় কোন ভৌগলিক কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে আসেন, তার প্রতি আমার প্রথম প্রশ্ন হবে তিনি ফজরের সালাত সময়মত আদায় করেছেন কিনা।" -- সাইদ রমাদান [১৯২৬-১৯৯৫]

২২ মার্চ, ২০১২

বিজ্ঞাপন : ডিসটার্ব

আমি টেলিভিশন দেখি কালেভদ্রে। মূলত পেশাগত জীবনের ব্যস্ততা এবং জীবনে ভালোলাগা-মুগ্ধতার বিষয়সমূহ বদলে উন্নত হওয়ায় বিনোদনের সকল পর্যায়ে টেলিভিশনের অস্তিত্ব আমার জীবনে একদমই নেই এখন। ক'দিন আগে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের খেলা দেখতে বসেছিলাম। বিটিভিতে খেলা সম্প্রচারে অর্থায়ন করেছে বাংলালিংক। তাই প্রতি ওভারের বল শেষ হলেই বিজ্ঞাপন বিরতি হচ্ছিলো।

১১ মার্চ, ২০১২

স্বাপ্নিক কথন

একটা ফুলের নাম বলো
-- গোলাপ, সাদা গোলাপ।
একটা পাখির নাম বলো, যার রঙ ভালো লাগে
-- ফিঙ্গে, কী কোমল রঙ তার !
একটা সবুজতার নাম বলো
-- পদ্মপাতা
আকাশ ভালো লাগে তোমার?
-- ভীষণ ! যখন মেঘগুলো ছুটে ছুটে যায়
তুমি না অপেক্ষায় আছ?
-- হুমম! সেই-ই তো!


কষ্ট পেলে কী ভাবো?
-- এ আমার পরীক্ষা। ধৈর্য্যশীলদের সাথে তিনি থাকেন, তাই ধৈর্য্যকে ধারণ করতে চাই।
হঠাৎ অশান্তি লাগে না বুকে?
-- লাগে তো ! প্রায়ই লাগে।
তখন কী করো তুমি?
-- এই তুমি জানো না বুঝি? তার স্মরণেই তো আত্মা শান্তি পায়। প্রিয় বইটার ১৩ : ২০ দেখে নিয়ো আরেকবার। স্মরণ করতে থাকি।
মাশাআল্লাহ! তুমি রাতের নির্জনতা পছন্দ করো?
-- উমম... শেষ রাতেরটা! অযু করে মনটা একাগ্র করে পাই।

তোমার উপরে অনেক চাপ পড়লে, দিশেহারা হয়ে যাও না?
-- একটু তো লাগেই! কিন্তু আমি তো জানি সাধ্যের অতিরিক্ত কিছু চাপানো হয়নি। চেষ্টা করতে থাকি তাঁর কাছে প্রার্থনা করতে করতে
বৃষ্টি ভালো লাগে?
-- বৃষ্টি শেষে গাছের ডালে ঝাঁকি দিয়ে দেখেছো? পানি ঝরে পড়ে কীভাবে!
বাহ! তুমি কি পিচ্চিদের ভালোবাসো?
-- ভীষণ! ওদের সাথে মিশে গিয়ে নিস্পাপ জীবনটাকে অনুভব করতে চাই।
সুবহানাল্লাহ! আচ্ছা, তুমি স্বপ্ন দেখো?
-- দেখিনা আবার? মা-বাবা আর তোমার হাত ধরে সাথে আমাদের পিচ্চিগুলোকে ওই সুন্দর লেকের উপর দিয়ে বাগানে আমরা হাঁটবো অনন্তকালের আনন্দে -- অমন কিছু স্বপ্নই তো প্রেরণা দেয় আমাকে!
মাঝে মাঝে লাল গোলাপ চলে?
-- (হেসে ফেলে) বারে! সাদা ভালো লাগে শুভ্রতার জন্য। লালের মাঝে থাকে ভালোবাসার গভীরতা।
মানুষকে কোন উপহার দিতে পছন্দ করো?
-- সবচাইতে বেশি করে দুআ করি। আর অন্য কিছুই তো এই দুনিয়া ওই দুনিয়া দুটোকেই স্পর্শ করেনা!
কেউ ভুল করে ক্ষমা চাইলে?
-- ক্ষমা করে ফেলতে চাই। ভুলেও যেতে চেষ্টা করি। কষ্ট লাগে, তবুও। কারণ আল্লাহ তো তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। আমার জীবনেই কী কম ভুল? সূরা শুআরার ৩৭-৪০ পড়েছ না?
সুন্দর ভাবনা তো! আচ্ছা, সংসার নিয়ে ভেবেছ?
-- টোনাটুনির সংসারই আমার পছন্দ।
রাগ হলে কী করো?
-- কথাই বলিনাহ। চুপ করে দূরে সরে থাকি।
(মুচকি হেসে) ভালো থেকো। তোমার জন্য একটু চাইবো
-- (ফিক করে হেসে ফেলে) আমিও তো ! আল্লাহ হাফিয!
আল্লাহ হাফিয

* * * * * * *
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ কথপোকথনের পুরোটাই কল্পনা। একজন মানুষের মনের একান্ত কল্পনা। বাস্তবতার লেশমাত্র নাই :-)